বানান ও কিবোর্ড
ক্যাপস লক, ভাষা ও অতিরিক্ত স্পেস দেখুন; গোপন শব্দ কাউকে দেখিয়ে পরীক্ষা করাবেন না।
সঠিক ঠিকানা, নিজের পরিচয় ও প্রবেশের ফলাফল—এই তিনটি বিষয় আলাদাভাবে দেখুন। নিচের ব্যাখ্যা সাধারণ প্রবেশ সমস্যার জন্য; এখানে কোনো লগইন ফর্ম নেই।

ভুল পরিচয় ও ভুল পাসওয়ার্ড একই সমস্যা নয়। প্রথমে ব্যবহারকারীর নাম বা যোগাযোগের ঠিকানা ঠিক আছে কি না দেখুন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণ করা পুরোনো তথ্যও ভুলের কারণ হতে পারে।
পুনরুদ্ধারের কাজ কেবল যাচাইকৃত পরিষেবার নিজের পদ্ধতিতে করুন। বার্তায় পাঠানো অপরিচিত লিংক অনুসরণ করলে গোপন তথ্য অন্যের কাছে যেতে পারে। নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি হলে আগেরটি আর ব্যবহার করবেন না।
প্রবেশ সফল হলে দৃশ্যমান পরিচয় আপনার সঙ্গে মেলে কি না দেখুন। শেয়ার করা যন্ত্রে কাজ শেষে সাইন আউট করা দরকার। শুধু ট্যাব বন্ধ করাকে সেশন শেষ হওয়ার নিশ্চয়তা ভাববেন না।
এই পার্থক্যগুলো বিষয়ের ভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করে; নির্দিষ্ট শর্তের সঙ্গে মিলিয়ে পড়ুন।
ক্যাপস লক, ভাষা ও অতিরিক্ত স্পেস দেখুন; গোপন শব্দ কাউকে দেখিয়ে পরীক্ষা করাবেন না।
বারবার ব্যর্থতা হলে চেষ্টা থামান। প্রযোজ্য অপেক্ষা বা পুনরুদ্ধার নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
অপ্রত্যাশিত প্রবেশ বার্তা দেখলে ইমেইল সুরক্ষিত করুন এবং যাচাইকৃত পুনরুদ্ধার ব্যবহার করুন।

ব্রাউজারে পাসওয়ার্ড রেখে গেলে পরের ব্যবহারকারী সেটি ব্যবহার করতে পারেন। ব্যক্তিগত যন্ত্রের সুবিধা আর পাবলিক যন্ত্রের ঝুঁকি এক নয়।
সফল প্রবেশের পরও অনুমতি বা ত্রুটির বার্তা খেয়াল করুন। কোনো পর্দা টাকা পাঠিয়ে প্রবেশ খুলতে বললে আগে থামুন ও পরিচয় যাচাই করুন।
অটোফিলের বদলে সঠিক পরিচয় নিজে লিখে মিলিয়ে নিন।
তথ্য পরীক্ষা শেষে ফলাফল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
ভুল তথ্য, কোড বা সাময়িক সীমা—বার্তার ভাষা আলাদা করে পড়ুন।
পরিচিত পথ ব্যবহার করে পরিবর্তনের পরে শেয়ার করা যন্ত্র থেকে বের হন।
না। সহায়তার জন্য পাসওয়ার্ড, কোড বা পুনরুদ্ধার লিংক পাঠাবেন না।
লিংক খুলবেন না; নিজের ইমেইল সুরক্ষা দেখুন এবং পরিচিত ঠিকানা দিয়ে পরীক্ষা করুন।
শেয়ার করা যন্ত্রে সাইন আউট করুন এবং সংরক্ষিত তথ্য আছে কি না দেখুন।
ত্রুটির লেখা, সময় ও যন্ত্রের ধরন দিন; পরিচয় ও গোপন তথ্য আড়াল করুন।